প্রথম ইনিংসে অবশিষ্ট ভারত ২৩৭ রান করার পর জম্মু-কাশ্মীর করে ২৭৮ রান। এর পর দ্বিতীয় ইনিংসে পন্থেরা করেন ৩১৯। জয়ের জন্য জম্মু-কাশ্মীরের লক্ষ্য দাঁড়ায় ২৭৯। প্রথম ইনিংসের থেকে ১ রান বেশি। কিন্তু সেই রান তুলতে পারলেন না পরশ দোগরারা। ১১১ রানেই শেষ হয়ে গেল তাঁদের ইনিংস। বাংলার দুই বোলারকে সামলাতেই পারলেন না জম্মু-কাশ্মীরের ব্যাটারেরা। মুকেশ ৩৩ রানে ৬ উইকেট নিলেন। আকাশের ২৫ রানে ৩ উইকেট।
চতুর্থ ইনিংসে শ্রীনগরের পরিচিত ২২ গজে সুবিধা করতে পারলেন না জম্মু-কাশ্মীরের ব্যাটারেরা। দুই ওপেনার শুরুটা খারাপ করেননি। কামরান ইকবাল ৩২ এবং শুভম খাজুরিয়া ৩৬ রান করেন। দু’জনকেই আউট করেন আকাশ। দুই ওপেনারকে আকাশ ফিরিয়ে দেওয়ার পর বিপজ্জনক হয়ে ওঠেন মুকেশও। একের পর উইকেট হারাতে শুরু করে রঞ্জি চ্যাম্পিয়নেরা। আকাশ-মুকেশের দাপটে ১ উইকেটে ৬৫ থেকে ১১১ রানে শেষ হয়ে যায় জম্মু-কাশ্মীরের ইনিংস। ১১১ রানেই হারায় শেষ তিন উইকেট। ১৩ রানে হারা। শেষ ৬ উইকেট। দুই ওপেনার ছাড়া বলার মতো রান একমাত্র পাঁচ নম্বরে ব্যাট করতে নামা আবদুল সামাদের ২০। বাকিরা কেউ দু’অঙ্কের রানও করতে পারেননি। চার জন আউট হয়েছেন ০ রানে।
বাংলার দুই বোলারের দাপটে প্রথম ইনিংসে পিছিয়ে থেকেও একপেশে ভাবে ইরানি কাপ জিতে নিয়েছে পন্থের অবশিষ্ট ভারত। অধিনায়ক পন্থ অবশ্য দু’ইনিংসেই ব্যর্থ। প্রথম ইনিংসে করেন ১০ রান। দ্বিতীয় ইনিংসে ৮ রান। ভারতের অবশিষ্ট একাদশের ব্যাটিং কোচ ছিলেন বাংলার কোচ লক্ষ্মী। দলের এমন দাপুটে তিনি উচ্ছ্বসিত।
