প্রথম কোয়ার্টারেই বাজিমাত করে যায় ভারতের ‘অগ্নিকন্যারা’। একের পর এক পেনাল্টি কর্নারে চাপ বাড়ায় চিনের উপর। যার ফল পাওয়া গেল ২০ মিনিটে। লালরেমসিয়ামির গোলে এগিয়ে যায় ভারত। এরপরের কোয়ার্টারগুলোতে অবশ্য পালটা দেওয়ার চেষ্টা করে চিন। পেনাল্টি কর্নার থেকে বল পজেশন সবেতেই এগিয়ে ছিল। কিন্তু অসাধারণ খেলে ভারতীয় রক্ষণ। এর মধ্যে হাফটাইমের ঠিক আগে বাঁদিকে ঝাঁপিয়ে পেনাল্টি বাঁচান সবিতা। বলা যায়, ওটাই ম্যাচের টার্নিং পয়েন্ট। ১-০ গোলে জিতে ২০২৮-র লস অ্যাঞ্জেলস অলিম্পিকের জায়গা নিশ্চিত করে নিল ভারতের মহিলা দল।
শেষবার ভারতীয় মহিলা দল এশিয়াডে সোনা জিতেছিল ১৯৮২ সালে। তারপর ১৯৯৮ ও ২০১৮ সালে ফাইনালে হেরে স্বপ্নভঙ্গ হয়। এদিন অবশ্য সেই আক্ষেপ ঘুচে গেল। বলা যায়, গোটা দিনটাই ছিল ভারতীয়দের। মাত্র আধঘণ্টায় তিনটে সোনা জিতে নেয়। প্রথমে সোনা পারভিন হুডার। চিনা প্রতিপক্ষকে হারিয়ে তিনি সোনা জিতে নিলেন মহিলাদের ৬৫ কেজি বিভাগে। তারপর অঙ্কুশ পাঙ্ঘাল। আগাগোড়া দাপট দেখিয়ে বক্সিংয়ের ৮০ কেজি বিভাগে সোনা জিতলেন। প্রথম কয়েক মিনিটে পিছিয়ে থাকলেও শেষ মুহূর্তে কিস্তিমাত করে কুস্তিতে সোনা পেলেন সুজিত কালকাল।
১৩তম দিনের শুরুতে প্রথম সোনাটা আসে তিরন্দাজদের হাত ধরে। আবহাওয়ার প্রতিকূলতা পেরিয়ে কুমকুম অনিল মোহত, অঙ্কিতা ভকত এবং কীর্তি শর্মার দল সোনা জেতে। এই প্রথমবার রিকার্ভ তিরন্দাজিতে সোনা এল ভারতের ঘরে। এরপর ৭৫ কেজি বিভাগে সোনা জেতেন লভলিনা বরগোহাঁই। জন্মদিনে এশিয়াডে প্রথমবার সোনা জিতলেন অসমের বক্সার। এছাড়া এদিন ভারতের ঝুলিতে এসেছে দু’টো ব্রোঞ্জ ও দু’টো রুপো। সব মিলিয়ে ভারতের ঝুলিতে এখন ১৬টি সোনা, ২৫টি রুপো ও ৩৫টি ব্রোঞ্জ।
